প্রযুক্তি

২০২২ সালের সেরা ফ্রিল্যান্সিং জব কোনগুলো – জেনে নিন

২০২২ সালের সেরা ফ্রিল্যান্সিং জব গুলোর মধ্যে যে কাজগুলো হয়েছে এখানে উপস্থাপন করা হয়েছে। বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সিং কাজ রয়েছে যেগুলো ফ্রিল্যান্সার নিয়মিত করে কিন্তু ইনকামের জন্য সবগুলো কাজ এর মধ্যে কয়েকটি কাজের মধ্যে কয়েকটি চাকরি খুবই লাভ দায়ক।যারা ২০২২ সালে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করতে চাচ্ছেন কিন্তু বুঝে উঠতে পারছেন না কোন কাজ দিতে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করবেন অথবা কোন ফ্রিল্যান্সিং কাজে কেমন ইনকাম তা জানেন না তাদের এই আর্টিকেল টি অনেক সাহাজ্য করবে ।

গ্রাফিক্স ডিজাইন

গ্রাফিক্স ডিজাইন বর্তমানে ফ্রিল্যান্সিং জগতের পরিচিত একটি নাম। যারা গ্রাফিক্স ডিজাইনে দক্ষ তারা গ্রাফিক্স ডিজাইনকে ফ্রিল্যান্সিং পেশা হিসেবে নিতে পারেন। গ্রাফিক্স ডিজাইন এ অনেক বেশি ইনকাম করা সম্ভব তাই যারা গ্রাফিক্স ডিজাইন এ এখনো ততটা দক্ষ নয় তবে শুরু করতে যাচ্ছেন তারা বিভিন্ন সফটওয়্যার এর মাধ্যমে এবং টিউটোরিয়াল দেখে গ্রাফিক্স ডিজাইন শুরু করে দিতে পারেন। গ্রাফিক্স ডিজাইন এর চাহিদা অনেক বেশি তাই আপনি যদি ফ্রিল্যান্সিং এর গ্রাফিক্স ডিজাইন পেশাকে বেছে নেন তাহলে আপনার একটি ভালো ক্যারিয়ার হবার সম্ভাবনা রয়েছে।

গ্রাফিক্স ডিজাইন এ ভালো দক্ষতা থাকলে ঘণ্টা প্রতি ৩০ ডলার ইনকাম করা সম্ভব।

কনটেন্ট রাইটার

অনেকেই আছেন যারা কনটেন্ট রাইটার হিসেবে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করতে চান। বর্তমানে ফ্রিল্যান্সিং জগতে কনটেন্ট রাইটার দের চাহিদা অনেক বেশি। বিভিন্ন ব্লগ ওয়েব নিবন্ধ অথবা ই-বুকে আপনি আপনার কনটেন্ট লিখতে পারেন আপনার তৈরি করা কন্টাক্ট বিক্রি করতে পারেন এবং তার বিনিময়ে ভালো অর্থ উপার্জন করা সম্ভব। কনটেন্ট রাইটিং এর চাহিদা অনেক বেশি কারণ সারা বিশ্বে অনেক কোম্পানি কনটেন্ট রাইটার দের খুঁজে থাকে। কন্টেন্ট রাইটিং এর জন্য তেমন দক্ষতা প্রয়োজন হয় না।কনটেন্ট রাইটিং একটি দারুণ পছন্দ হতে পারে। কনটেন্ট রাইটিং এর চাহিদা বেশি থাকায় কনটেন্ট লিখার জন্য প্রতি ঘন্টায় ২৫ থেকে ২৭ ডলার পর্যন্ত উপার্জন করা সম্ভব।

এসইও স্পেশালিস্ট

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এসইও) স্পেশালিস্ট এদের কাজ হলো ওয়েবসাইটকে গুগোল রাঙ্ক করানো। অনেক কোম্পানি এসইও স্পেশালিস্ট খুঁজে থাকে তাদের জন্য সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন করে দেওয়ার কাজ করাই হল এসইও স্পেশালিস্ট দের কাজ। এটিও যারা এন্ট্রি লেভেলের ফ্রিল্যান্সিং শিখতে চান তাদের জন্য একটি ভালো পছন্দ হতে পারে। কিওয়ার্ড রিসার্চ, এইচটিএমএল এবং লিঙ্কবিল্ডিং সম্পর্কে ধারণা থাকলে মোটামুটি লেভেলের সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন করা সম্ভব। যারা ফ্রিল্যান্সিং শুরু করতে যাচ্ছেন তারা একজন এসইও স্পেশালিস্ট হিসেবে তাদের ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার শুরু করতে পারেন। একজন এসইও স্পেশালিস্ট দক্ষতার সাথে কাজ করে ঘন্টায় ৩৮ থেকে ৪০ ডলার পর্যন্ত ইনকাম করতে পারেন।

সাইবার সিকিউরিটি স্পেশালিস্ট

যারা ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে কিছুটা দক্ষ হয়ে উঠেছেন এবং এখন নিজের পেশাকে আরো এগিয়ে নিয়ে যেতে চান তাদের জন্য সাইবার সিকিউরিটি স্পেশালিস্ট এর কাজ একটি ভালো পছন্দ হতে পারে। সাইবার সিকিউরিটি স্পেশালিস্ট এর কাজ মূলত বিভিন্ন ওয়েবসাইট কিংবা বিভিন্ন কোম্পানির ওয়েবসাইটগুলোকে সাইবার হামলার শিকার থেকে রক্ষা করা। ওয়েবসাইটগুলো নিয়মিত আপ টু ডেট করা এবং বিভিন্ন ত্রুটি মুক্ত রাখা। সাইবার সিকিউরিটি স্পেশালিস্ট অনেকসময় ওয়েব ডেভেলপমেন্ট এর মত কাজগুলো করে থাকে। একজন সাইবার সিকিউরিটি স্পেশালিস্ট হিসেবে নিয়োগ পেতে গেলে অবশ্যই ডেভলপমেন্ট সম্পর্কে জানতে হবে এবং দক্ষতা রাখতে হবে। ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ গুলোর মধ্যে সাইবার সিকিউরিটি স্পেশালিস্ট এর চাহিদা অনেক বেশি এবং খুবই লাভজনক। দক্ষতা অনুসারে একজন সাইবার সিকিউরিটি স্পেশালিস্ট ঘণ্টায় প্রায় ৪০ থেকে ৪৭ ডলার পর্যন্ত ইনকাম করতে পারেন।

অ্যাপ ডেভলপার/অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট

মোবাইলের জন্য বিভিন্ন অ্যাপ ডেভেলপ করে অ্যাপ ডেভলপার দের প্রধান কাজ। অ্যাপ ডেভলপার হতে প্রয়োজন হবে প্রোগ্রামিং জানা। যাদের প্রোগ্রামিং এর দক্ষতা রয়েছে তারা খুব সহজে অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপ করতে পারবেন। বিভিন্ন বড় বড় কোম্পানিগুলো তাদের কোম্পানির জন্য অ্যাপ ডেভেলপ করতে বলে। অ্যাপ ডেভেলপারদের চাহিদা বর্তমানে অনেক বেশি। যারা কনটেন্ট রাইটার অথবা, এসইও স্পেশালিস্ট হিসেবে ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ শুরু করেছেন কিন্তু এখন দক্ষতা আরও বাড়াতে যেতে চাচ্ছেন ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে তাদের জন্য অ্যাপ ডেভলপমেন্ট এর কাজ অনেক সহজ। চাহিদার কারণে অ্যাপ ডেভেলপার হিসাবে একজন ফ্রিল্যান্সার ঘণ্টায় প্রায় ষাট থেকে সত্তর ডলার ইনকাম করতে পারেন তবে এটি তার দক্ষতার ওপর নির্ভর করে।

 

যারা ফ্রিল্যান্সিং শুরু করতে যাচ্ছেন বা শুরু করবেন এমন ভাবছেন তারা অবশ্যই উপরের যেকোনো একটি কাজ শুরু করুন। তবে সবচেয়ে ভালো হলো এসইও স্পেশালিস্ট বা কন্টেন্ট রাইটার হিসেবে কাজ করা এবং পরবর্তীতে দক্ষতা অনুযায়ী গ্রাফিক্স ডিজাইন অথবা অ্যাপ ডেভলপমেন্ট এর কাজের সাথে যুক্ত হয়ে ইঙ্কাম আরো বাড়াতে পারেন । ২০২২ সালে এসেও উপরের ৫ টি ফ্রিল্যান্সিং কাজের চাহিদা অনেক বেশি । আর শুধু চাহিদায় নয় উপরের কাজ গুলো দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করে যে কেও পরবর্তীতে দিনে ৩০০/৪০০ ডলার পর্যন্ত ইনকাম করতে সক্ষম হবেন ।

আরো দেখুনঃ  গুগল এডমোব কি? গুগল এডমোব দিয়ে কিভাবে ইনকাম করা যায় - জেনে নিন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button